নির্বাচিত

স্বাধীণ জম্মভূমি

স্বাধীণ জম্মভূমি

নির্বাচিত পোস্ট

Translate

নির্বাচিত পোস্ট

ডিজাইন

Featured Posts

Sports

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

সকলের সাথে সকলের বন্ধুত্ব পূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা উচিত ।

কোন মন্তব্য নেই :

এই বন্ধু দিবস হলমার্ক কার্ডের প্রতিষ্ঠাতা জয়েস হল দ্বারা উন্নত হয়েছিল বলে জানা যায় । ১৯১৯ সালে এবং আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস এবং এই দিন সবাই একে অন্যেকে কার্ড দিয়ে দিয়ে এক অপরের সাথে কৌশলআদি ভালম্দ খবরা খবর নিতেন । সর্ব প্রথম বন্ধু দিবসের ইতিহাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু হয়েছিল । ১৯৩৫ সালে মার্কিন কংগ্রেস ঘোষণা করেন যে প্রতি বছর আগস্ট মাসের প্রথম রবিবারকে বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে প্রতিপালিত হবে । সেই থেকে বন্ধুত্ব দিবস হয় জাতীয় উদযাপিত দিনগুলোর মধ্যে একটি দিন বা দিবস । খুব শীঘ্রই এটি খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবসের এর রুপ লাভ করে । বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ধারণাটি ১৯৫৮ সালের ২০ জুলাই ডঃ Artemio Bracho দ্বারা প্রথম প্রস্তাবিত করা হয় । তখন তিনি তার বন্ধুদের সাথে পুয়ের্তো Pinasco তে নদীর তীরে একটি শহর যা উত্তর Asuncion,Paraguay থেকে প্রায় ২০০ মাইল দূরে অবস্থিত ডিনার করেছিলেন । কিন্তু বন্ধুত্ব দিবস বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন তারিখে পালন করা হয় প্রথম বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ৩০ জুলাই করার জন্য প্রস্তাবিত করা হয়ে ছিল ১৯৫৮ সালে । ২০১১সালে ২৭শে এপ্রিল জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ঘোষিত হয় ৩০ জুলাই official International Friendship Day ৷ তবে ভারত সহ কিছু দেশে আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করা হয় ৷

এবার আসুন বন্ধুদের নিয়ে কিছু ভাবনা করা যাক । আমাদের বন্ধুদের বিষয় কিছু জেনে নেই । যা জানা আমাদের খুব প্রয়োজন ।
তবে একটি কথা না বলেই নয় বন্ধুত্ব পূর্ণ সম্পর্ক সবার আগে আপনাকে আপনার পরিবারের সদস্যদের সাথে গড়ে তুলতে হবে । পরিবারের সদস্য বলতে মা বাবা ভাই বোন এবং আর আত্মীয়স্বজন যারা আছেন তাদের সাথে আপনাকে খুব শক্ত ভাবে ফ্রেন্ডলি সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে ।


একবার ভেবে দেখুনতো এই বন্ধুদিবসের দিনে আপনার বন্ধুর কি আপনার বন্ধুত্বের এই যোগ্যতা গুলো তার আছে কি না 
যাচাইয়ে জন্য অবশ্যয়ই নিচের বিষয়গুলি যাচাই করে দেখুন ।

পারস্পরিক বিশ্বাস ।একে অপরের সঙ্গে সব আনন্দ উপভোগ করা । সহানুভূতি থাকা । পারস্পরিক চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধের গুরুত্ব দেওয়া । কম্প্রোমাইজ করার ক্ষমতা থাকা ।মানসিক সমর্থন দেওয়া । অন্যের ভাল কীভাবে হবে এই বাসনা থাকা
কঠিন সত্যের স্বীকার করে হলেও নিজের সততার প্রমাণ দেওয়া । প্রয়োজনে সবার জন্য ইতিবাচক গভীর কোন সিদ্ধান্তে পৌছাতে নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করা । কে কি করতেছেন এটা নিয়ে বন্ধুদের মধ্যে কোন সংশয় না থাকা এবং সকলে সাথে শেয়ার । একে অপরের সাথে ঝগড়া করলে বা মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে, সহনোভুতির সাহয্যে তা মিটিয়ে ফেলতে হবে ।

প্রাচীন যুগে ডাইনী শিকারের কিছু কথা

কোন মন্তব্য নেই :



একটি সময় অনেক বছর আগে পার হয়ে গেছে সে সময় ডাইনী শিকার করা হত । হয়ত ইতি মধ্যে আমার পোস্টে ঢুকে অনেকের মাথায় গিত্তু লেগেছে এরকম প্রশ্ন হয়ত জেগেছে যে ডাইনী আবার শিকার করে কি ভাবে । আসলে মূলত এখানে যা বোঝানো হয়েছে তা হল পৃথিবীতে একটি সময় ডাইনী শিকার হতো তা হলো ডাইনী খোঁজা বা ডাকিনীবিদ্যার প্রমাণ খোঁজা অথবা তাদের ডাইনীর অস্থিত খোঁজা তবে এর সাথে জড়িত ব্যাপারগুলো হলো নৈতিক আতঙ্ক অনেকজনের মূর্ছা যাওয়া এবং জনতার বেআইনী শাস্তি বা বিচারের সময় বেআইনী সাজা দেওয়া এরকম কিছু কে বোঝানো হয়েছে । আসলে বিষয়টি বেআইনী মনে হলেও সে সময় ওটা তাদের আইন সম্মত আইনী ছিল,বা ইতিহাসগত ভাবে ঘটনাগুলো আইনগতভাবেই হয়েছিল এবং দাপ্তরিক ডাকিনীবিদ্যা বিচার অনুষ্ঠিত হয়েছিল ।


ডাইনী শিকারের প্রাথমিক যুগ ছিল ১৪৮০ সাল থেকে ১৭০০ সালের মধ্যে । পৃথিবীর অনেক সংস্কৃতিতেই এই ডাইনী শিকার হয়ে আসছে প্রাচীন এবং আধুনিককাল জুড়ে ।মানুষ কুসংস্কারে আক্রান্ত হয়ে ডাইনী ভীতিতে ডাইনীদের বা যারা ডাকিনীবিদ্যা চর্চা করে তাদের হত্যা করে আসছে অথবা বর্জন করে আসছে । ডাইনী শিকার এখনও আধুনিক সমাজে চলছে যেখানে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা আধুনিক বিজ্ঞান যুগে কেও ডাকিনীবিদ্যা এবং গুপ্তবিদ্যা সমর্থন করে না । ডাইনী শিকার বলতে এটাও বোঝায় যে আতঙ্কজনিত কারণে আসল ডাইনী বাদে অন্য সন্দেহজনক ভুল মানুষকে খোঁজা । প্রাচীন মিশর এবং ব্যবিলনে জাদুকর ও ডাইনীদের জন্য আলাদা আইন ছিল । হামুরাবি কোড ১৮০০ সালের আগের হিসেব অনুযায়ী যদি একজন মানুষ আরেকজনের ওপর যাদুটোনা করে এবং তা যদি প্রমাণিত না হয় তবে যার ওপর যাদু প্রয়োগ করা হয়েছে সে পবিত্র নদীর কাছে যাবে ও নদীতে নামবে । নদী যদি তাকে ডুবিয়ে ফেলে তবে তার বাড়ীর মালিকানা পাবে ওই যাদু প্রয়োগকারী ব্যাক্তি । যদি সে পবিত্র নদীতে না ডোবে তাহলে ওই যাদুকর কে মৃত্যুদন্ড দিতে হবে এবং তার বাড়ীর মালিকানা পাবে ওই যাদুতে আক্রান্ত হওয়া ব্যাক্তি । এটা হল ভাই প্রাচীন যুগের হিসাব । এর পর চলুন মধ্য যুগ দেখি তখনকার অবস্থা কি ?


প্রাথমিক মধ্যযুগে গির্জায় সরাসরি ডাইনী বিচার যেত না । যদিও এসব বিচার গির্জার আদর্শ থেকেই শুরু হয়ে এসেছে । ৭৮৫ সালে চার্চ অব প্যাডেরবর্ন ডাকিনীবিদ্যা নিষিদ্ধ করেন । পোপ জন XXII ডাকিনীবিদ্যা দমনমূলক নীতি গ্রহণ করেন ১৩২০ সালে যখন তিনি জানতে পারেন এ বিষয় সম্পর্কে । তদন্তকারী আদালত এই বিচারে জড়িত হয় ১৫ শতকে যখন দুই জন মহিলা স্বীকার করেন যে তারা ১৩৮৪সালে এবং ১৩৯০সালে এক প্রকারের সাদা যাদুতে অংশ নিয়েছে । প্রাথমিক আধুনিক ইউরোপে ডাইনী বিচার শুরু হয়েছিল ভালোভাবেই । ১৫ শতকে এবং ১৬ শতকে প্রাথমিক ডাইনী বিচার শুরু হয় । তারপর মানুষের ডাইনী ভীতি কমে গেলে বিচারও কমে যায় । পরে আবার ১৭ শতকে এটা তুমুলভাবে শুরু হয় । খ্রিস্টান সমাজ এবং সেক্যুলার প্রতিষ্ঠানগুলো মনে করত ডাকিনীবিদ্যা নগ্ননৃত্য অরজি যৌনতা এবং মানুষের মাংস খাওয়া নিয়ে পালিত শয়তানী ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সাথে ভালভাবে জড়িত । জার্মানীতে ডাইনী শিকার শুরু হয় অনেক আগে । দক্ষিণ পশ্চিম জার্মানীতে ডাইনী শিকারের সফল বছর ছিল ১৫৬১ থেকে ১৬৭০ সাল । তখনকার সময় ডাইনীদের ধরে পুড়িয়ে মারা হত । সারা ইউরোপে প্রায় ১২০০০ ডাইনী বিচারের ঘটনা ঘটেছিল । প্রায় ৪০০০০ থেকে ১০০০০০ লোক এসব বিচার সম্পাদন করেছিলেন । ১৮ শতকে এ ধরনের অভ্যাস কমে যায় । ইংল্যান্ডে শেষ ডাইনী শিকারের ঘটনা ঘটেছিল ১৬৮২ সালে । ১৭১২ সালে জ্যানি ওয়েনহ্যাম ছিল প্রথাগত ডাইনী বিচারের শেষ ঘটনা যেখানে সে ক্ষমা চায় তার কৃতকর্মের জন্য এবং মুক্তি পায় ।


এখন আমাদের এই আধুনিক যুগেও ডাইনী শিকার চলছে বিশেষ করে আফ্রিকাতে । ১৯৯৯ সালে বিবিসির প্রতিবেদনে দেখা যায় যে কঙ্গোতে শিশুদের ডাইনী সন্দেহ করা হচ্ছে এবং তাঞ্জানিয়াতে ডাইনী সন্দেহে বয়স্ক মহিলাদের মারা হচ্ছে যদি তাদের চোখ লাল হয় । ডাইনী শিকার করে আফ্রিকাতে মূলত করে ডাইনীর আত্নীয় স্বজনরা তার সম্পত্তির লোভে । আমেরিকাতেও ডাকিনীবিদ্যা সম্পর্কীত ঘটনা শোনা যায় । ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে ওকলাহোমাতে এক ছাত্রীকে ১৫ দিনের জন্য স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয় যাদুমন্ত্র করার অভিযোগে । ১৬ই ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে ফাওজা ফালিহ নামের এক মহিলাকে গ্রেফতার করা হয় এবং অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করা হয় ডাইনী সন্দেহে । রাজা যদি তার দুঃষ্পাপ্য ক্ষমা না করেন তবে মহিলার মাথা কাটা যাবে । শেষ হয়েগেছে ।

কি কিছু বুঝলেন ভাই । বুঝেন নাই আরে এগুলো প্রচীন যুগের একটি ভন্ডামী আইন বা বিচারের কথা পড়লেন । এটা এমন বিষয় যেয়ে দাঁড়ালো বা আমরা বুঝলাম যে আসলে ভূত পেতনী যাই বলেন আর আমরা যাই মনে করি না কেন এগুলো শুরু ছিল কিছু ভন্ডামী দিয়ে ।

ছবিগুলো গুগল থেকে নেওয়া ।

একটি কথা বলার ঘড়ি তৈরি করার জন্য শিশুটিকে পুলিশ ধরে নিয়ে যান

কোন মন্তব্য নেই :

সিএনএন আহমেদ মোহামেদ স্কুলে একটি সাদাসিধা ঘড়ি জন্য তাকে গ্রেফতার করা হয় ।সে আমেরিকার টেক্সাসে বসবাস করে । এই শিশুকে নিয়ে সারা বিশ্বে চলছে আলোচনার ঝড় । এনবিসি, বিবিসি, সিএনএন, রয়টার্স সহ বেশ কিছু বড় ধরনের মেইনস্ট্রিম সমগ্র মিডিয়া তাকে সংবাদের প্রধান শিরোনাম করে তুলেছিল । হাতকড়া সহ একটি ছবি তাকে করে দিয়েছে বিশ্ববিখ্যাত ।১৪ বছর বয়ছি এই ছেলেটির নামে পুলিশের কাছে স্কুল কৃতপক্ষ রিপোট করলে পরে তাকে গ্রেপটার করা হয় ।আহমেদের এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ওবামা প্রথমে ভয় পেলেও পরে তাকে প্রেসিডেন্ট ওবামা হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রন জানান ।
আহমেদ মোহামেদ নামের ১৪ বছর বয়সী এই শিশুটি তার বাসায় একটি কথা বলা ঘড়ি তৈরি করেন । পরে সে তার ঘড়িটি স্কুলে নিয়ে যান এবং সেই ঘড়িটা তার স্কুল টিচারকে দেখানোর পর শুধুমাত্র মুসলিম হওয়ার কারনে টিচার পুলিশ ডেকে শিশুটিকে ধরিয়ে দেয় । টিচার মনে করেছিলেন আহমেদ আসলে একটি টাইম বোম তৈরি করে নিয়ে গিয়েছিলো । তাই তিনি ঘড়িটি দেখার পরে ছেলেটিকে বলেছে ঘড়িটি আর অন্য কাওকে দেখিও না । পরে সে ম্যাডাম স্কুলের প্রিন্সিপালের কাছে যেয়ে এ ঘটনা বললে সে প্রিন্সিপাল পুলিশকে সংবাদ দিয়ে এনে ছেলেটিক ধরিয়ে দিলে ওখান থেকে হাতে হাতকরা লাগিয়ে পুলিশ আহমেদ কে তাদের সঙ্গে নিয়ে যান । 
তবে আর যাই হোক অবশেষে বলতে গেলে ছেলেটির ভাগ্য ভালো দিকেই নিয়ে গেছে । আর উদাহারন হিসেবে সব শেষে এক পর্যায়ে যখন এই খবরটি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নজরে নেন এবং তিনি ছেলেটির প্রতিভার প্রশংসা করেন ও তাকে হোয়াইট হাউস ভ্রমনে আমন্ত্রন জানান । তাছাড়াও ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ শিশুটিকে ফেসবুকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রন জানান । এছাড়াও আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নাসার একটি সম্মেলনেও ছেলেটি নাসার তরফ থেকে আমন্ত্রন পান ।একটি কথা বলার ঘড়ি তৈরি করার জন্য শিশুটিকে পুলিশ ধরে নিয়ে যান

বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

কূটনীতিকের বিরুদ্ধে গৃহকর্মী ধর্ষণের অভিযোগ

কোন মন্তব্য নেই :


 ভারতে সৌদি আরবের এক কূটনীতিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন দুই নারী গৃহকর্মী। তারা বলেছেন, তাদেরকে শুধু ধর্ষণই করা হয় নি, নির্যাতনও করা হয়েছে। ভারতের গুরগাঁওয়ে নিযুক্ত সৌদি আরবের এক কূটনীতিকের বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ওই বাসায় প্রবেশ করে পুলিশ কথিত নির্যাতিত দুই নারীকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় ওই কূটনীতিকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তবে সৌদি আরব দূতাবাস এ অভিযোগকে মিথ্যা বলে অভিহিত করেছে। নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে কূটনীতিকের বাসায় পুলিশ প্রবেশের প্রতিবাদ জানিয়েছে দূতাবাস। গতকাল এ খবর দিয়েছে ভারতের অনলাইন এনডিটিভি। ভুক্তভোগী ওই দুই নারী নেপালের নাগরিক। তাদের একজন বলেন, আমাদের সঙ্গে পশুর মতো আচরণ করা হয়েছে। সোমবার এ দুই নারীকে খুঁজতে ওই কূটনীতিকের বাড়ির পঞ্চম তলার ফ্লাটে হাজির হন ৪০ পুলিশ সদস্য। পুলিশের কাছে করা এক অভিযোগে ওই দুই নারী গণধর্ষণ, নির্যাতন ও দাসের মতো খাটানোর অভিযোগ তুলেছেন। তবে অভিযোগে সৌদি ওই কূটনীতিকের নাম না থাকলেও, উল্লেখ রয়েছে দায়ী ব্যক্তিরা ‘সৌদি আরবের লোক’। গুরগাঁওয়ের পুলিশ প্রধান নবদীপ সিং ভির্ক বলেন, আমরা ওই সৌদি নাগরিকের পরিচয় খুঁজে বের করেছি। ওই ফ্লাটের মালিক সৌদি আরবের এক কূটনীতিক। আমাদের কাছে ওই ফ্লাটের মালিকের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু কূটনৈতিক দায়মুক্তির বিষয়টিও এ ক্ষেত্রে বিবেচ্য। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়গুলো জানিয়েছি। তবে এ অভিযোগকে ‘অসত্য ও অপ্রমাণিত’ বলে দাবি করেছে ভারতে অবস্থিত সৌদি আরবের দূতাবাস। একই সঙ্গে ‘সব কূটনৈতিক নিয়মাবলীর বিরুদ্ধে গিয়ে একজন কূটনীতিকের ঘরে পুলিশের অনধিকার প্রবেশে’র প্রতিবাদ জানিয়েছে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।
প্রায় চার মাস ধরে গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরবের ওই পরিবারের সঙ্গে কাজ করছিলেন ভুক্তভোগী দুই নারী। তারা অভিযোগ করেছেন, তাদের প্রতি নির্যাতন শুরু হয় জেদ্দায়, যা গুরগাঁওতেও অব্যাহত থাকে। সৌদি ওই কূটনীতিকের ফ্লাটে যাওয়া ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিও তাদেরকে ধর্ষণ ও নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা। এনডিটিভি’কে এক নারী বলেন, তারা আমাদের ধর্ষণ করেছে। তালা মেরে রেখেছে। আমাদের কিছু খেতেও দিত না। ২ নারীর মধ্যে একজনের বয়স ৫০ বছর। নেপালের মোরাং-এ তার মূল বাসস্থান। ২০ বছর বয়সী অপর নেপালি নারীর ২ শিশু সন্তান রয়েছে। তার স্বামী ক্যানসারে আক্রান্ত। তারা উপায়ন্তর না দেখে এ চাকরি নিলেও কখনই তাদের বেতন পরিশোধ করা হয় নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। তারা জানান, এ বিষয়টি কাউকে বলতেও তারা ভয় পেতেন। কেননা, তাদেরকে মারা হয়েছে ও হুমকি দেয়া হয়েছে। ছুরি দিয়েও ভয় দেখানো হয়েছে। এ দুই নারীর অবস্থা দেখে নতুন নিয়োগ করা এক গৃহকর্মী সমপ্রতি পালিয়ে যান। পালানো ওই গৃহকর্মী এক এনজিও’র সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত খুলে বলেন। ওই এনজিও কর্তৃপক্ষ পুলিশের কাছে অভিযোগ করে।
 
 তথ্যঃমানবজমিন

কোন মন্তব্য নেই :
1রাজনের জন্য কয়েকটি বাক্য
জোবায়ের মিলন
কোথাকার কোন ছেলে মরে গেছে
কী হয়েছে!
গত পরশু মরে গেল সুবল, সুমিত, শুনেত্রা
গত কাল মরে গেল সাতাশ ভিখারী
আজ মরে গেল রাজন!
মিরেরসরাই থেকে এখনও শুকায়নি লাশের গন্ধ;
কোথাকার কোন ছেলে মরে গেছে
কী হয়েছে।
আজও পার্লামেন্টে জ্বলেছে সুশোভিত ঝারবাতি
বক্তার পর বক্তা টেবিল ভেঙ্গেছে থাপ্পর মেরে
আজও সবচেয়ে আলোচিত বিষয় নিয়ে হয়েছে ঢাক ডোল
মন্ত্রিত্ব নিয়ে হয়েছে কানাকানি,
বিরোধীরা ছক এঁকেছে- পরবর্তী মসনদ দখলের,
কোথাকার কোন ছেলে মরে গেছে
কী হয়েছে?
আজ তো বোয়াল মরে নি, চিতল মরে নি
বৈদেশি কেউ যানযটে পরেনি
কোন চাটুকারকে নেয়া হয়নি কোমায়; তবে
কীসের এত ফিসফিসানি?
আজ তো মরেছে কোথাকার এক ‘ রাজন’. . .
”তোমার জন্য আজ প্রতিবাদ হয়নি রাজন
মানিক মিয়ার মোড়ে
তোমার জন্য কেউ তালা খুলতে আসেনি
বধির কালার দোড়ে,
তোমার জন্য জাগেনি শাহবাগ
জ্বলেনি মোমের বাতি
শাহবাগ থেকে হারিয়ে গেছে
সেই সে আগুন রাতি!”
কোথাকার কোন ছেলে মরে গেছে
কী হয়েছে!
কিছুই হয়নি; শুধু লিখেগেলাম-
তপ্ত জ্বালার বুকে, শোকে দু:খে-
এই পাষন্ড ভূমি আমার মাতৃভূমি না. . .
- See more at: http://www.bhorerkagoj.net/online/2015/07/14/95690.php#sthash.XuqEqh4Z.dpuf